CHT Culinary
অফিস শেষে আজ গন্তব্য ছিল কাজীপাড়া, উদ্দেশ্য পাহাড়ি খাবার।

আমি ঘুরতে ভালোবাসি, কারও সাথে নয়তো একা। ঢাকায় ঘোরার মতো আছে রেস্টুরেন্ট শুধু। মাঝে মধ্যেই চলে যাই খেতে। নতুন বাসায় ওঠার পর নতুন চাকরিতে ঢুকলাম। সকালে খালা এসে দুইবেলা রান্না করে দিয়ে যায়। আজকে খালা আসেনি, দুপুরে তাই BUET ক্যাফেটেরিয়ায় খেলাম। রাতে প্রাঙ্গণ আজকে বুফেতে খেয়ে আসবে।
আমি কোথায় খাবো এটা অনেক ভেবে শেষে ঠিক করলাম আজকে কাজীপাড়া স্টেশনে নেমে “CHT Culinary” তে খেতে যাবো একা। আমি প্রায়ই একা একা খাই। আর পাহাড়ি খাবার আমার অনেক প্রিয়। অনেকদিন ধরেই ইচ্ছা ছিল এই রেস্টুরেন্টটা এক্সপ্লোর করার।
সন্ধ্যা ৭টায় অফিস শেষ করে কাজীপাড়া পৌঁছাতে প্রায় ৮টা বেজে গেল। মেনু দেখে অনেকগুলো আইটেম অর্ডার করলাম। রেস্টুরেন্টের ওয়েটার ভাইয়াটা অনেক ভালো ছিল। উনি পাহাড়ি, কিন্তু অনেক সুন্দর করে কথা বলে।
খাবার অর্ডার করে বসেছিলাম একা একা। আমার সামনে একটা কাপল ল্যাপটপ খুলে বসে গল্প করছিল, আর আমার পাশে একটা ছোট ফ্যামিলির বাবা, মা আর বাচ্চা অর্ডার করে অপেক্ষা করছিল।
এভাবে একা একা বসে থাকার অভ্যাস আমার অনেক দিনের। অর্ডার দিয়ে অপেক্ষা করতে করতে আশেপাশের মানুষদের অবজার্ভ করি, ভালোই লাগে। আজকে জানি না কেন, প্রথমবার একা গিয়ে অনেক মন খারাপ লাগছিলো। অনেকক্ষণ চুপ করে বসেছিলাম। অপেক্ষা করতে করতে কেন জানি খুব কান্না আসছিলো একা একা। কাঁদিনি যদিও:3 আমার আগে কখনো এমন হয়নি। আজকে জানি না হঠাৎ কী হলো। মনে হচ্ছিল কিছুক্ষণ কাঁদতে পারলে ভালো লাগতো।
আসার আগে একবার ইফাতকে মেসেজ দিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম ফ্রি আছে কিনা, বলল অফিসে আছে। কী জানি, আজকে হয়তো কারও সাথেই আসা উচিত ছিল। নয়তো আসাই উচিত হয়নি।
যাই হোক, খাবারগুলো অনেক মজা ছিল। কতদিন পর বাঁশকোরল খেলাম। যাওয়ার সময় রেস্টুরেন্টের নম্বর নিয়ে গেলাম, যাতে পরে কোনোদিন বাসায় বসে অর্ডার করতে পারি!
In photographs