Nakshikantha Marathon 2026
Rain, run & a little chaos. 🏃♂️

শুক্রবার ছিলো আমার এ বছরের নবম মিনি ম্যারাথন। ম্যারাথনের আগে আমার বেশ কয়েকদিন ধরে বুকে ব্যথা। ম্যারাথনের ২ দিন আগে যেদিন অফিসে গেলাম, ওইদিন সকাল থেকে যে বুকের বাম পাশে ব্যথা শুরু হলো, দুপুর পর্যন্ত আর কমলো না। একটু চিন্তায় পড়ে গেলাম, এই অবস্থায় ম্যারাথনটা দেওয়া ঠিক হবে কিনা।
Ibn Sina-তে একজন কার্ডিওলজিস্টের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে অফিস থেকে চলে গেলাম ডাক্তারের কাছে। ECG, Echo-র রিপোর্ট দেখে ম্যাম বললেন সিরিয়াস কিছু না আপাতত, যদিও প্রেসার অনেক বেশি ১৪০/৯০। সব শুনে অনেকগুলো ওষুধ দিলেন, তার মধ্যে একটা প্রেসারের আর ঘুমের ওষুধও ছিলো, যদিও আমার আজকাল বেশ ভালোই ঘুম হয় অফিস থেকে ফিরে।
Troponin test-এর রিপোর্টটা আসতে একটু দেরি হবে। ম্যাম বললেন ওই রিপোর্টটা পেলে উনি কনফার্ম করবেন ম্যারাথনটা আমি দিতে যাবো কিনা। রাতেই অনলাইনে রিপোর্টটা পেয়ে গেলে ম্যামকে WhatsApp-এ ফরওয়ার্ড করি। উনি রিপোর্ট দেখে বললেন ম্যারাথন দিতে সমস্যা নাই, কিন্তু বেশি স্ট্রেস নিয়ে যেন না দৌড়াই।
২ দিন পর রাতে মাত্র ৩ ঘণ্টা ঘুমিয়ে সকাল ৫টায় চলে গেলাম হাতিরঝিলে ম্যারাথনে। রাতে ঘুম না হওয়ায় খুবই টায়ার্ড লাগছিলো। মনে হচ্ছিলো আজকের ম্যারাথনটা না দিই। ৭.৫ কিমি দৌড়ানোর পরে পেছনে অ্যাম্বুলেন্স দেখে মনে হলো গিভ আপ করে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে উঠে পড়ি। বাট করলাম না। ভাবলাম আস্তে আস্তে বাকিটা পথ হাঁটি, হয়তো কাট-অফ টাইমের আগেই পৌঁছে যাবো।
অনেকদিনের ইচ্ছা ছিলো বৃষ্টিতে ভিজে ম্যারাথন দেওয়ার। এই ম্যারাথনে সেই ইচ্ছেটাও পূরণ হয়ে গেলো। শেষমেশ কাট-অফ টাইমের মিনিট দুয়েক আগে ১৫ কিমির ফিনিশিং লাইন পার করলাম। ট্র্যাকে কয়েকজন রানারের সাথে নতুন পরিচয় হলো, একটু গল্পগুজব করলাম। এতকিছুর পরেও রানটা সুস্থভাবে শেষ করতে পেরে কী যে ভালো লাগছে! ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা :3
In photographs